নাইক্ষ্যংছড়িতে দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি ও ভাঃ সুপার জাহাঙ্গীরের ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ
আপডেট সময় :
২০২৫-১১-২৫ ১৫:২১:৫৫
নাইক্ষ্যংছড়িতে দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি ও ভাঃ সুপার জাহাঙ্গীরের ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
ও ভারপ্রাপ্ত সুপার জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে শুনানি শুঅভিযোগের ১ মাসের মধ্যে নাইক্ষ্যংছড়ির চাকঢালা এম এস দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি রু হচ্ছে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসমত জাহান ইতুর দপ্তরের জারিকৃত ৩১.৪২.০৩৫১১৫১.০২.০০৯.২৫(৪৩০) স্মারকের নোটিশ সুত্রে জানা যায় আগামী ২৬/১১/২৫ বুধবার অভিযুক্ত সভাপতি ও সুপার কে প্রয়োজনিয় কাগজ পত্র সহ শুনানিতে অংশ নিতে নির্দেশ দেয় হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে১৯-০৬-২০৩,০৫-০৮-২৩ তারিখে অগ্রনীব্যাংক ককসবাজার শাখা হিসাব নং ০২০০০০৯৪১২৮৭২) হতে ৪লক্ষ উত্তলন করে টাকা শিক্ষক স্টাইপেনের টাকা আত্মসাৎ,ফুল বাগানের নামে ভুয়া ভাউচার করে টাকা আত্মসাৎ, ভবন মেরামতের নামে ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, ভর্তি ফি টাকা আত্মসাৎ, মাদ্রাসার নামিয় জমির লাগিয়তের টাকার ভাগ বাটোয়ারা,শিক্ষকদের মামলা মোকাবেলার নামে টাকা অপচয়, টেন্ডার ছাড়াই প্রায় কোটি টাকার মাদ্রাসার ভবন নির্মাণ, নিয়োগ বাণিজ্য, অবৈধভাবে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন, ভুয়া ছাত্র/ছাত্রী দেখিয়ে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, ব্যাংক হিসাব পরিচালনায় অনিয়ম, ভুয়া ছাত্র/ছাত্রী দেখিয়ে সরকারী বই তছরূপ, ভুয়া বিল ভাউচার দাখিল, শিক্ষকদের সাথে অসাদাচরণ, মাদ্রাসার প্রকৃত জমির হিসাব দাখিলে অনিয়ম, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত না থাকা,কোচিং বানিজ্য, বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থার জন্য মেশিন ক্রয় করে হাজিরা না নিয়ে ফেলে রাখা।নিয়মিত কমিটি গঠন না করা,ভারপ্রাপ্ত সুপারের হাতে লেখা একটি নোটিশের প্রায় বানান ভুল যা ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যপক ট্রল হয়েছে ,মাদ্রাসার এফডিআর সঞ্চয়পত্র তছরুপ সহ নানা অনিয়ম।
অভিযোগকারী ওই মাদ্রসার সাবেক ছাত্র নুরুল আমিন জানান, সুপারের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সবই সত্য। গত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতার থাকায় তিনি চাকরি পান এবং নিজ এলাকায় যুবলীগের রাজনিতি করার কারনে তিনি একজন জেনারেল শিক্ষক হয়ে ও মাদ্রাাসার সুপারের পদ বাগিয়ে নেন।এবং বদলে যায় তার চলার গতি। উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সাবেক মাদ্রাসা সভাপতি সিরাজুল হকের প্রভাব খাটিয়ে মাদ্রাসায় শুরু করেন নিয়োগ বাণিজ্য, বহিষ্কার বানিজ্য।
বিগত সময়ে কমিঠি গঠনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় দোসরদের মাদ্রাসার কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনে ভুয়া ভোটার তালিকা তৈরি করেছেন। তিনি বলেন, আমি মাদ্রাসার সুপার জাহাঙ্গীর আলমের শাস্তি দাবি করছি। মাদ্রাসার দুর্বল ব্যবস্থাপনায় ও বেহাল দশা নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে
জানতে চাইলে মাদ্রাসার সুপার জাহাঙ্গীর আলমে তার বিরুদ্ধে সকল আনিত অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি )ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, মাদ্রাসা ভারপ্রাপ্ত সুপার জাহাঙ্গীর আলম ও সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগের সোনার এর দায়িত্ব পেয়েছি। অপরাধ প্রমাণিত হলে যথার্থ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Banglar Alo News Admin
কমেন্ট বক্স